Bio.bd Logo
নির্বাচিত জীবনী

তারেক রহমান

তারেক রহমান বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক জিয়া নামেও পরিচিত। তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

বিস্তারিত পড়ুন arrow_forward
তারেক রহমান

ক্যাটাগরিসমূহ

অজানা থেকে কিছু

ইতিহাসের পাতায় লুকানো কিছু জীবনগাথা।

রফিকউদ্দিন আহমদ

রফিকউদ্দিন আহমদ

রফিকউদ্দিন আহমদ বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী অন্যতম শহীদ। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকারের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে যোগ দেন এবং পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। সেদিন তাঁর বিয়ের কেনাকাটা করতে ঢাকায় আসার কথা ছিল কিন্তু ভাষার ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে তিনি আর ফেরেননি।

জসীমউদ্দীন

জসীমউদ্দীন

জসীমউদ্‌দীন ছিলেন বাংলা সাহিত্যাঙ্গনের এক অনন্য কবি, যিনি গ্রামীণ জীবন, লোকসংস্কৃতি ও বাংলার পল্লীর আবেগকে সাহিত্যে জীবন্ত করে তুলেছিলেন। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই খ্যাতিমান সাহিত্যিক কবি, গীতিকার, সুরকার ও লেখক হিসেবে সমানভাবে পরিচিত ছিলেন। গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র তাঁর লেখায় এত গভীরভাবে ফুটে ওঠে যে তিনি “পল্লী কবি” নামে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বিংশ শতাব্দীতে বাংলা পল্লীসাহিত্যকে নতুন প্রাণ ও মর্যাদা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।

তারেক রহমান

তারেক রহমান

তারেক রহমান বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক জিয়া নামেও পরিচিত। তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

তারেক মাসুদ

তারেক মাসুদ

তারেক মাসুদ ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও সাংস্কৃতিক চিন্তাবিদ। তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে এক নতুন ধারার সূচনা করেন, যাকে সাধারণত “বিকল্পধারার চলচ্চিত্র” বলা হয়। তাঁর চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, ধর্মীয় বাস্তবতা, লোকসংস্কৃতি, সামাজিক পরিবর্তন ও মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব গভীরভাবে উঠে এসেছে। তিনি শুধু চলচ্চিত্র নির্মাণ করেননি; বরং চলচ্চিত্রকে সমাজ ও ইতিহাস বোঝার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন। বিশ্বচলচ্চিত্রে বাংলাদেশের পরিচিতি গড়ে তুলতে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তাঁর নির্মিত মাটির ময়না আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে এবং বাংলাদেশি সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করে তোলে।

সর্বশেষ সংযোজন

সব arrow_forward
ফাহিম আল চৌধুরী
সমাজসেবক

ফাহিম আল চৌধুরী

ফাহিম আল চৌধুরী (পূর্ণ নাম: ফাহিম আল ইসহাক চৌধুরী) একজন সুপরিচিত প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং সমাজসেবক। তিনি মূলত যুক্তরাজ্য (লন্ডন) এবং বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি তার অনুপ্রেরণামূলক জীবনসংগ্রাম, দাতব্য কাজ এবং বিশেষ করে "মায়ের দোয়ায় সফল হওয়া" ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিশেষভাবে আলোচিত।

পড়ুন arrow_right_alt
আলতাফ মাহমুদ
মুক্তিযোদ্ধা

আলতাফ মাহমুদ

আলতাফ মাহমুদ ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি শুধু একজন সুরকার বা সংগীতশিল্পী ছিলেন না, বরং ছিলেন ভাষা আন্দোলনের কর্মী, সংস্কৃতিকর্মী, গণমানুষের শিল্পী এবং মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সংগঠক। তাঁর গান মানুষের হৃদয়ে দেশপ্রেমের আগুন জ্বালিয়েছিল। বাংলা ভাষা, স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে সবচেয়ে বেশি মনে রাখে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানের অমর সুরকার হিসেবে। তাঁর সুর করা এই গান আজও ভাষা আন্দোলনের চেতনার প্রতীক হয়ে আছে।

পড়ুন arrow_right_alt
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
শিক্ষাবিদ

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ

মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী, দার্শনিক, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর অবদান এতটাই গভীর যে তাঁকে “জ্ঞানতাপস” নামে অভিহিত করা হয়। বাংলা ভাষার উৎপত্তি, ব্যাকরণ, আঞ্চলিক ভাষা ও মধ্যযুগীয় সাহিত্য নিয়ে তাঁর গবেষণা আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। তিনি শুধু একজন ভাষাবিদ ছিলেন না; তিনি ছিলেন একাধারে বহু ভাষার পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং বাঙালি জাতিসত্তার এক নিবেদিতপ্রাণ সাধক। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তিনি সুস্পষ্ট মত প্রকাশ করেছিলেন এবং ভাষা আন্দোলনের পেছনে তাঁর চিন্তা ও গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

পড়ুন arrow_right_alt
মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
রাজনীতিবিদ

মুহাম্মদ কামারুজ্জামান

মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ছিলেন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে তাঁর জীবন শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কারণে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত বিতর্কিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

পড়ুন arrow_right_alt
আহমদ ছফা
লেখক

আহমদ ছফা

আহমদ ছফা ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও বুদ্ধিজীবী। তিনি শুধু সাহিত্য রচনা করেননি, বরং সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে গভীর চিন্তা করেছেন। তাঁর লেখায় যেমন তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ দেখা যায়, তেমনি সাধারণ মানুষের জীবন ও বাস্তবতার প্রতিফলনও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাংলা সাহিত্যে আহমদ ছফা এক ব্যতিক্রমী নাম। তিনি প্রচলিত ধারা ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক চিন্তার বাইরে গিয়ে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতেন। এজন্য তাঁকে অনেকেই “বিদ্রোহী বুদ্ধিজীবী” বলে অভিহিত করেন। তাঁর লেখনী আজও নতুন প্রজন্মকে চিন্তা করতে শেখায়।

পড়ুন arrow_right_alt
সেলিনা হোসেন
সাহিত্যিক

সেলিনা হোসেন

সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। বাংলা সাহিত্যে নারীজীবন, মুক্তিযুদ্ধ, গ্রামীণ সমাজ, মানবতা ও সামাজিক পরিবর্তনের বিষয়গুলো অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে তুলে ধরার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর লেখায় যেমন সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম উঠে আসে, তেমনি ইতিহাস, রাজনীতি ও সমাজবাস্তবতার গভীর প্রতিফলনও দেখা যায়। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি অসংখ্য উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ ও শিশুতোষ রচনা লিখেছেন। বাংলাদেশের সাহিত্যে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্থায়ী।

পড়ুন arrow_right_alt
আল মাহমুদ
কবি

আল মাহমুদ

আল মাহমুদ ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। আধুনিক বাংলা কবিতায় গ্রামীণ জীবন, লোকসংস্কৃতি, প্রেম, ইতিহাস, ধর্মীয় অনুভূতি এবং বাঙালির আত্মপরিচয়কে শক্তিশালীভাবে তুলে ধরার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। বাংলা কবিতায় তিনি এক স্বতন্ত্র ধারা সৃষ্টি করেন। তাঁর কবিতায় যেমন নদী, মাটি ও মানুষের গন্ধ পাওয়া যায়, তেমনি সমাজ ও ইতিহাসের গভীর বাস্তবতাও ফুটে ওঠে। সাহিত্যসমালোচকদের মতে, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ছিলেন আল মাহমুদ।

পড়ুন arrow_right_alt
প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
শিক্ষাবিদ

প্রফুল্ল চন্দ্র রায়

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা ও সমাজসংস্কারক। তাঁকে ভারতীয় রসায়ন গবেষণার জনক বলা হয়। তিনি শুধু বিজ্ঞানচর্চাই করেননি; দেশীয় শিল্প, শিক্ষা ও জাতীয় চেতনা গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলা ও ভারতীয় বিজ্ঞানচর্চাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করার পেছনে তাঁর অবদান অসামান্য। বিজ্ঞানকে তিনি শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং সমাজের উন্নতি ও মানুষের কল্যাণের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। এজন্য তিনি “আচার্য” উপাধিতে ভূষিত হন।

পড়ুন arrow_right_alt
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
লেখক

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানচিন্তক ও কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যিক। তিনি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনি ও কিশোর সাহিত্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। একই সঙ্গে তিনি একজন অধ্যাপক হিসেবে বিজ্ঞানশিক্ষা ও প্রযুক্তিচর্চাকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলতে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর লেখায় বিজ্ঞান, মানবতা, কল্পনা ও দেশপ্রেম একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।

পড়ুন arrow_right_alt
সত্যজিৎ রায়
চলচ্চিত্র পরিচালক

সত্যজিৎ রায়

সত্যজিৎ রায় ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, লেখক, সুরকার, চিত্রকর ও শিল্পনির্দেশক। বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মর্যাদায় পৌঁছে দেওয়ার পেছনে তাঁর অবদান অসামান্য। তিনি শুধু একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন না; তিনি ছিলেন এক পূর্ণাঙ্গ শিল্পী। চলচ্চিত্রের গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ, সঙ্গীত, ক্যামেরার ভাষা, পোস্টার ডিজাইন—সব ক্ষেত্রেই তাঁর সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রয়েছে। বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্রবোদ্ধারা তাঁকে মানবজীবনের অসাধারণ চিত্রকর হিসেবে বিবেচনা করেন।

পড়ুন arrow_right_alt
কবীর চৌধুরী
শিক্ষাবিদ

কবীর চৌধুরী

কবীর চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক, সাহিত্যসমালোচক ও সংস্কৃতিকর্মী। তিনি বাংলা সাহিত্য, শিক্ষা, মানবতাবাদ ও মুক্তবুদ্ধির চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল চিন্তার অন্যতম শক্তিশালী কণ্ঠ ছিলেন কবীর চৌধুরী। তিনি বিশ্বাস করতেন জ্ঞান, যুক্তি ও মানবিক মূল্যবোধের মাধ্যমেই সমাজের উন্নতি সম্ভব। সাহিত্য, দর্শন, রাজনীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

পড়ুন arrow_right_alt
মেঘনাদ সাহা
বিজ্ঞানী

মেঘনাদ সাহা

মেঘনাদ সাহা ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী, পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি মূলত “সাহা আয়নীকরণ তত্ত্ব” (Saha Ionization Equation)-এর জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর এই আবিষ্কার নক্ষত্রের তাপমাত্রা ও গঠন বোঝার ক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায়। বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সমাজচিন্তক ও পরিকল্পনাবিদ। বিজ্ঞানকে তিনি জাতীয় উন্নয়নের প্রধান শক্তি হিসেবে দেখতেন। তাঁর চিন্তা ও গবেষণা ভারতীয় বিজ্ঞানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ মর্যাদা এনে দেয়।

পড়ুন arrow_right_alt
বদরুদ্দীন উমর
লেখক

বদরুদ্দীন উমর

বদরুদ্দীন উমর বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী, ইতিহাসবিদ, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক। তিনি বিশেষভাবে পরিচিত মার্কসবাদী বিশ্লেষণ, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসচর্চা, সমাজ-রাজনীতি বিশ্লেষণ এবং সাংস্কৃতিক সমালোচনার জন্য। বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শুধু লেখক ছিলেন না; বরং একজন সক্রিয় রাজনৈতিক চিন্তক, যিনি সমাজ, রাষ্ট্র, সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁর লেখায় যুক্তিবাদ, শ্রেণিচেতনা ও সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।

পড়ুন arrow_right_alt
ফরিদা আখতার
অর্থনীতিবিদ

ফরিদা আখতার

ফরিদা আখতার বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সমাজকর্মী, লেখক, গবেষক, পরিবেশবাদী ও মানবাধিকারকর্মী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষি, জীববৈচিত্র্য, নারী অধিকার, পরিবেশ ও উন্নয়ননীতি নিয়ে কাজ করে আসছেন। বাংলাদেশের বিকল্প উন্নয়নচিন্তা এবং কৃষকবান্ধব আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে তিনি পরিচিত। তিনি বিশেষভাবে পরিচিত “নয়া কৃষি আন্দোলন”-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশবান্ধব কৃষি, দেশীয় বীজ সংরক্ষণ এবং রাসায়নিক নির্ভর কৃষির বিরোধিতা। একই সঙ্গে তিনি নারী অধিকার, খাদ্য নিরাপত্তা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়েও কাজ করেছেন।

পড়ুন arrow_right_alt
আনোয়ারা সৈয়দ হক
চিকিৎসক

আনোয়ারা সৈয়দ হক

আনোয়ারা সৈয়দ হক বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। বাংলা সাহিত্যে মানবমনের জটিলতা, নারীর অনুভূতি, প্রেম, সামাজিক সংকট ও মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। তিনি পেশায় একজন মনোরোগ চিকিৎসক হওয়ায় তাঁর লেখায় মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীর বিশ্লেষণ দেখা যায়। সাহিত্য ও চিকিৎসা—দুই ক্ষেত্রেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

পড়ুন arrow_right_alt
নীলিমা ইব্রাহিম
শিক্ষাবিদ

নীলিমা ইব্রাহিম

নীলিমা ইব্রাহিম ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক, সমাজকর্মী ও নারীজাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি বাংলা সাহিত্য, নাট্যগবেষণা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং নারী পুনর্বাসন আন্দোলনে অসামান্য অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ আমি বীরাঙ্গনা বলছি বাংলা সাহিত্যে ও বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল হিসেবে বিবেচিত। তিনি ছিলেন সাহসী, মানবতাবাদী ও প্রগতিশীল চিন্তার মানুষ।

পড়ুন arrow_right_alt
ফজলে হাসান আবেদ
সমাজসেবক

ফজলে হাসান আবেদ

ফজলে হাসান আবেদ ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সমাজসংস্কারক, মানবতাবাদী ও উন্নয়নচিন্তাবিদ। তিনি বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা BRAC-এর প্রতিষ্ঠাতা। দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নারীশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ক্ষমতায়নে তাঁর অবদান বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। তিনি শুধু একজন সমাজকর্মী ছিলেন না; তিনি ছিলেন উন্নয়নের নতুন ধারণার নির্মাতা। তাঁর কাজ প্রমাণ করেছে যে সঠিক পরিকল্পনা, শিক্ষা ও মানবিক নেতৃত্বের মাধ্যমে কোটি মানুষের জীবন পরিবর্তন করা সম্ভব।

পড়ুন arrow_right_alt
আবদুল গাফফার চৌধুরী
সাংবাদিক

আবদুল গাফফার চৌধুরী

আবদুল গাফফার চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট ও গীতিকার। বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর নাম অমর হয়ে আছে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানের রচয়িতা হিসেবে। তিনি শুধু একজন গীতিকার ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, প্রগতিশীল চিন্তাবিদ এবং সাহসী সাংবাদিক। তাঁর লেখায় বাংলাদেশের ইতিহাস, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন গভীরভাবে উঠে এসেছে।

পড়ুন arrow_right_alt
হাসান আজিজুল হক
সাহিত্যিক

হাসান আজিজুল হক

হাসান আজিজুল হক ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর লেখায় মানুষের দুঃখ, দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য, দেশভাগ, মুক্তিযুদ্ধ ও অস্তিত্বসংকট অত্যন্ত গভীর মানবিকতায় ফুটে উঠেছে। বাংলা ছোটগল্পকে আধুনিক ও মনস্তাত্ত্বিক গভীরতায় সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অসামান্য। তিনি বিশেষভাবে পরিচিত তাঁর দৃঢ় গদ্যভাষা, তীক্ষ্ণ বাস্তববোধ এবং শোষিত মানুষের পক্ষে অবস্থানের জন্য। বাংলা সাহিত্যে তিনি এক অনন্য উচ্চতার কথাশিল্পী হিসেবে বিবেচিত।

পড়ুন arrow_right_alt
তারেক মাসুদ
চলচ্চিত্র পরিচালক

তারেক মাসুদ

তারেক মাসুদ ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও সাংস্কৃতিক চিন্তাবিদ। তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে এক নতুন ধারার সূচনা করেন, যাকে সাধারণত “বিকল্পধারার চলচ্চিত্র” বলা হয়। তাঁর চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, ধর্মীয় বাস্তবতা, লোকসংস্কৃতি, সামাজিক পরিবর্তন ও মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব গভীরভাবে উঠে এসেছে। তিনি শুধু চলচ্চিত্র নির্মাণ করেননি; বরং চলচ্চিত্রকে সমাজ ও ইতিহাস বোঝার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন। বিশ্বচলচ্চিত্রে বাংলাদেশের পরিচিতি গড়ে তুলতে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তাঁর নির্মিত মাটির ময়না আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে এবং বাংলাদেশি সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করে তোলে।

পড়ুন arrow_right_alt
জাহানারা ইমাম
লেখক

জাহানারা ইমাম

জাহানারা ইমাম ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখিকা, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী ও একাত্তরের ঘাতক-দালালবিরোধী আন্দোলনের নেত্রী। তিনি “শহীদ জননী” নামে সমগ্র বাংলাদেশে পরিচিত। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী চেতনার লড়াই এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তাঁর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ একাত্তরের দিনগুলি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দলিল হিসেবে বিবেচিত।

পড়ুন arrow_right_alt
শহীদুল্লাহ কায়সার
সাংবাদিক

শহীদুল্লাহ কায়সার

শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী ও শহীদ বুদ্ধিজীবী। বাংলা সাহিত্যে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সংশপ্তক ও সারেং বৌ-এর জন্য। তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজবাস্তবতা, কৃষক-শ্রমিকের জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম, দারিদ্র্য, শোষণ এবং মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে উঠে এসেছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানি বাহিনী ও আল-বদর বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়ে তিনি শহীদ হন। এজন্য তিনি বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অন্যতম প্রতীক।

পড়ুন arrow_right_alt
মুনীর চৌধুরী
শিক্ষাবিদ

মুনীর চৌধুরী

মুনীর চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক ও ভাষা আন্দোলনের কর্মী। বাংলা নাটকের আধুনিক ধারার পথিকৃৎ হিসেবে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। তিনি ছিলেন একাধারে শিক্ষক, ভাষাসৈনিক, বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতিকর্মী। তাঁর লেখায় মানবতাবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক প্রতিবাদের শক্তিশালী প্রকাশ দেখা যায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগী আলবদর বাহিনী তাঁকে হত্যা করে। এজন্য তিনি “শহীদ বুদ্ধিজীবী” হিসেবে চিরস্মরণীয়।

পড়ুন arrow_right_alt
মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
মুক্তিযোদ্ধা

মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী

এম এ জি ওসমানী ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, সেনানায়ক ও জাতীয় বীর। তাঁর পূর্ণ নাম ছিল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীকে সংগঠিত ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। তিনি “বঙ্গবীর” উপাধিতে ভূষিত হন। স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রথম সেনাপ্রধান এবং প্রথম চার তারকা জেনারেল হিসেবেও তিনি পরিচিত।

পড়ুন arrow_right_alt
জয়নুল আবেদিন
চিত্রশিল্পী

জয়নুল আবেদিন

জয়নুল আবেদিন ছিলেন বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও শিল্পশিক্ষার অগ্রদূত। তিনি “শিল্পাচার্য” নামে পরিচিত। বাংলা শিল্পকলার ইতিহাসে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি শিল্পকে মানুষের জীবন, দুঃখ-কষ্ট ও সমাজের বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। তাঁর শিল্পকর্মে বাংলার গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের সংগ্রামের ছবি ফুটে উঠেছে।

পড়ুন arrow_right_alt
জগদীশ চন্দ্র বসু
বিজ্ঞানী

জগদীশ চন্দ্র বসু

জগদীশ চন্দ্র বসু ছিলেন জ্ঞান, গবেষণা ও মানবকল্যাণের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। তিনি নিজের মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছেন। তাঁর জীবন আমাদের বিজ্ঞানমনস্কতা, অধ্যবসায় ও সৃজনশীলতার শিক্ষা দেয়।

পড়ুন arrow_right_alt
লালন
সঙ্গীতশিল্পী

লালন

লালন শাহ ছিলেন মানবপ্রেম ও সাম্যের প্রতীক। তিনি সমাজের বিভেদ ভুলে মানুষকে ভালোবাসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর গান, দর্শন ও জীবনাদর্শ বাংলা সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। যুগ যুগ ধরে মানুষ তাঁর শিক্ষা ও সংগীত থেকে অনুপ্রেরণা পাবে।

পড়ুন arrow_right_alt
বেগম রোকেয়া
লেখক

বেগম রোকেয়া

পড়ুন arrow_right_alt
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
রাজনীতিবিদ

নবাব সিরাজউদ্দৌলা

নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। তিনি অল্প বয়সে বাংলার নবাব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেন। তাঁর শাসনকাল খুব দীর্ঘ না হলেও তিনি উপমহাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তাঁর সংগ্রাম ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

পড়ুন arrow_right_alt
হানিফ সংকেত
উপস্থাপক

হানিফ সংকেত

হানিফ সংকেত বাংলাদেশের টেলিভিশন জগতের এক সুপরিচিত ও বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব। এ কে এম হানিফ নামেই তাঁর জন্ম হলেও তিনি “হানিফ সংকেত” নামে দেশজুড়ে অধিক পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর জন্ম নেওয়া এই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব উপস্থাপক, লেখক, নির্মাতা, প্রযোজক, কৌতুকশিল্পী ও কণ্ঠশিল্পী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। বিশেষ করে জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ইত্যাদি নির্মাণ ও উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সমাজসচেতন বার্তা, ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনা ও সৃজনশীল বিনোদনের কারণে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন।

পড়ুন arrow_right_alt